সফর ।। মহিউদ্দিন বিন্ জুবায়েদ



বোশেখ মাসে গিয়েছিলাম কদুখালীগ্রামে,
মাঠে মাঠে ঘুরেছি দু'জন কেইবা তা জানে।



দেখেছি চাঁদে হাসিমাখা মুখ আঙিনা বসি,
পাকা ধানের বাজনা যাচ্ছে কোথাও মিশি ।
ফজরের আযান যখন আসে ভেসে কানে,
কাচু মাচু হয়ে উঠি ছুটি মসজিদ পানে।

গোসল করেছি ওগ্রামে প্রতি পুকুর ঘাটে,
জল কেলির দৃশ্য সবি আছে স্মৃতি পটে।

গিয়েছি বৈকালী ভ্রমনে অনেক পথ হেটে,
কত মাঠ ক্ষেত পেরিয়ে লক্ষ্মীগঞ্জের হাটে।

তরি তরকারী কিনে রিক্সায় দু'জন চড়ি,
গল্প গল্পে এসে ছিলাম বন্ধবরের বাড়ি।

খাওয়া শেষে দহলিজে গল্পে গল্পে রাতভর,
চাঁদের আলোয় রাত শেষ নাহি ছিল ডর।

ওগ্রামের দৃশ্য মোর লাগছে কত ভালো,
যে ক' দিন কেটেছে শুধু চাঁদের আলো।

সুন্দর দৃশ্য ধানকাটা কৃষকের আনাগোনা,
সারি বেঁধে দাওয়া মাথায় ওদৃশ্য অচেনা।

ঠাঁনে ঠাঁনে বাড়ি ঘর মাঝে মধ্যে ফাঁকা,
সবুজ ধানের মঞ্জুরী দিয়ে কিছু তার ঢাকা।



এমৌসুমে পানির অভাব সবাই এটা জানে,
কলসি কাঁখে বউ ঝি দূর থেকে তা আনে।

ও গাঁয়ে ঘুরে দেখেছি পানি নেয়ার দৃশ্য,
বেজায় কষ্ট এ মৌসুমে বড়ই তারা নিঃস্ব।

ভালো এ গাঁয়ের মানুষ বড়ই সরল মনা,
অল্প ক' দিন ছিলাম তাই  অনেক অজানা।



কদুখালী গ্রামের কথা লিখবো কি আর,
ফসল ভরা মাঠখানি তার বড়ই চমৎকার।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.